Posts

ফিচার: প্রতিভা সরকার

Image
ডোডো পাখি আর ডায়ান ফসি আজ প্রথমে তোমাদের ডোডো পাখির গল্প বলি। সেই যে মরিশাস দ্বীপপুঞ্জে ডানাহীন এক মোটাসোটা ভীতু পাখি বনে জঙ্গলে, সমুদ্রের তীরে অবাধে চরে বেড়াতো অনেকদিন আগে, তার নামই ডোডো। ডানা নেই বলে উড়তে পারতো না, আর শরীরে বেশি মাংস বলে জোরে দৌড়াতে পারতো না। বুঝতেই পারছ সহজেই শিকার করা যেত ডোডো পাখিকে। এরা বাসা করতো মাটিতে, ঝোপঝাড়ের ভেতরে। ফলে ডিম, ডোডোর ছানা, সবই সহজলভ্য ছিল। বনের অন্য মাংসাশী জীবজন্তুদের খিদে মেটাত এই পাখির মাংস। সেটা তো স্বাভাবিক। তাতে ডোডোর টিঁকে থাকায় কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।

লুৎফর রহমান রিটনের ছড়া

Image
ভূতের রাজার কাছে দরখাস্ত  ভূৎফর রহমান রিটন টক ঝাল না মিষ্টি প্রিয়? কী খেতে চায় ভূতরা? ভূতের প্রিয় ধুতুরা ফুল অর্থাৎ কী না ধুত্‌রা। ভূত খেতে চায় ঝাল-টকটক চটপটি আর ফুচকা? জবাব পেতে বইয়ের পাতায় দু'চোখ-ভুরু কুঁচকা। ভূত কখনো আইসক্রিম খায়? ঝালমুড়ি খায়? মিষ্টি? কোন মিষ্টি পছন্দ তার? অনেক বড় লিস্টি? সেই তালিকায় সন্দেশ নেই? বুন্দিয়া নেই? নিমকি? ভূত ছানাদের প্রিয় ছড়া হাট্টিমা টিম টিম কি? ভূতের প্রিয় লাল করলার কঠিন তেতো ভর্তা লাল করলার জ্যাম-জেলি খায় ভূতের বড় কর্তা।

মারজানা সাবিহা শুচির ভ্রমণ কাহিনী

Image
সিগিরিয়া রকঃ এক রোমাঞ্চকর পাথুরে যাত্রা ছোট বন্ধুরা, তোমরা কি সিগিরিয়া জায়গাটির নাম শুনেছ? শ্রীলংকার এই পাহাড়ি অঞ্চলে খুব উঁচু এক পাহাড়ের উপর রয়েছে অনেক কাল আগের এক দুর্গ কিংবা রাজার বাড়ি। সেই বিশাল পাহাড় যাকে কিনা একটিই পাথরখণ্ডের মত লাগে তার নাম সিগিরিয়া রক। সেখানে আমি বেড়াতে গিয়েছিলাম ২০১৯ সালের এপ্রিলে, সেই বেড়ানোর গল্পটা আজ তোমাদের বলব। তার আগে বলি কী ভাবে এখানে দুর্গ আর রাজার বাড়ি গড়ে উঠলো। প্রায় দেড় হাজার বছর আগের কথা। রাজ্যের আসল উত্তরসূরি মগগালানাকে বঞ্চিত করে সিংহাসন দখল করে রাজা হলেন তারই ভাই কাশ্যপ, পরাজিত ভাই পালিয়ে গেলেন রাজ্য ছেড়ে। রাজা তো হলেন কাশ্যপ, মনে শান্তি নেই মোটে। এই বুঝি ভাই ফিরে এলো প্রতিশোধ নিতে, এই বুঝি সাধের প্রাণটা যায় যুদ্ধে! রাজা কাশ্যপ রাজধানী অনুরাধাপুরে থাকতে পারলেন না ভয়ে। চলে এলেন সিগিরিয়ায়, ৬৬০ফুট উঁচু সিগিরিয়া রকের উপরে গড়ে তুললেন রাজপ্রসাদ। এর আগে নানা সময়ে এখানে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের আশ্রম ছিল।

সাদিয়া সুলতানার গল্প

Image
কাঁটা মৌমিতা মাছ খেতে পছন্দ করে না। মাছের শরীরে কীভাবে যেন একটার পর একটা কাঁটা সাজানো থাকে। কিছু কিছু কাঁটা আবার ছুরির মতো ধারালো। মা মাছের কাঁটা বাছার সময়ই মৌমিতা আতংকে থাকে এই বুঝি মাছের কাঁটা মায়ের হাতে ফুটে গেল। মা কিন্তু দিব্যি ডান হাতের দুই আঙুল দিয়ে মাছের কাঁটা বেছে ফেলে। তারপর লেবু আর ডাল দিয়ে মাছ ভাত মাখিয়ে মৌমিতাকে খেতে দেয়। মৌমিতা নিজের হাতেই খেতে পারে। মা বলে ক্লাস টুতে পড়া মেয়ের নিজে হাতেই খাওয়া উচিৎ। তবে বাবা মাঝেমাঝে একটু বেশি বেশি বলে। বাবা বলে, মৌমিতার নাকি নিজের হাতে মাছের কাঁটা বেছে খাওয়া উচিৎ।

কল্লোল লাহিড়ীর গল্প

Image
মিনি আর ভ্যাঁও   তোমরা কি মিনি আর ভ্যাঁও কে চেনো? চেনে না তো? আমিও চিনতাম না। দাদাও না। মাও না। বাবাও না। এমনকি পাঁচিলে বসা দুষ্টু কাকটা না। রান্নাঘরের ঘুলঘুলিতে থাকা চড়াইয়ের পরিবারও না। তাহলে প্রশ্ন করতেই পারো চিনলাম কী করে? সেটা নিয়েই তো গল্প।