Posts

Showing posts from August, 2021

ফারিহা শাহরিনের গল্প

Image
ইঁদুর বিড়াল চুক্তি রাস্তার এক ঘেয়ো কুকুরের ধাওয়া খেয়ে কোথা থেকে সাদা রঙের এক বিড়াল ছানা আমাদের খোলা দরোজা দিয়ে ড্রইং রুমে ঢুকে সোজা এক লাফে সোফার গদিতে আরাম করে বসে গেল। কুকুরটা ভয়ে ঘরের কাছে ভিড়লো না। কিছুক্ষণ ঘেউ ঘেউ করে ফিরে গেল। কয়েক সেকেন্ডের রুদ্ধশ্বাস ঘটনাটির সাক্ষী সাত বছরের মুমু।

শাওন মাহমুদের কলাম

Image
আমার বাবা একজন আলতাফ [ভূমিকা: 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানের অমর সুরকার আলতাফ মাহমুদ একজন মুক্তিযোদ্ধা। ক্র্যাক প্লাটুন নামের বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা দলের সদস্য ছিলেন। সেই অপরাধে পাকিস্তানীরা ১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট ভোরবেলা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেদিনের ঘটনাটি নিয়ে শিশুকাগজের জন্য লিখেছেন তাঁর কন্যা শাওন মাহমুদ।] ২৯ আগস্ট ১৯৭১– উদ্ভ্রান্ত, উষ্কখুষ্ক, অশান্ত সারাদিন। ক্র্যাক প্লাটুন-এর অনেক গেরিলা যোদ্ধা আজ ধরা পড়েছে। উঠোনে মাটিচাপা দেওয়া অস্ত্রভর্তি ট্র্যাঙ্কগুলো নিয়ে সবচেয়ে বড় চিন্তা। আগামী অপারেশনে অস্ত্রগুলো কাজে লাগাতে হবে। বাসায় যদি আর্মি রেইড করে তাহলে এগুলোর কী হবে? সারাদিন কালো মরিস গাড়ি করে কোথায় কোথায় ঘুরেছিল সে, কে জানে। হয়তোবা অস্ত্র রাখবার জন্য নিরাপদ কোনো জায়গা খুঁজেছিল। সারাদিন পর রাত ১১টায় বাড়ি ফিরে আসার পর মা বলেছিল ভাত দেবো? ভাত প্রিয় আলতাফের খিদে ছিল না, একদম না। তাই জবাবে বলেছিল পেট ভরা, খাবো না। শোবার ঘরে শাওন আর ঝিনু ঘুমিয়ে পড়েছিল। সন্তর্পণে সেই ঘরে ঢুকে কী করেছিল আলতাফ? কেউ জানে না। হয়তোবা নির্ঘুম চোখে সারারাত পর...

কীর্তিনাশা নজরুলের ভৌতিক গল্প

Image
ভৌতিক গল্পঃ মাঝ-দুপুরে গভীর জঙ্গলে মাঝ-দুপুরে এক অতি গভীর জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একা যাচ্ছিল নয়ন। বেলা যে মাঝ-দুপুর তা কে বলবে? বড় বড় ঘন গাছের কারণে পুরো জঙ্গলে গা ছমছমে অন্ধকার। যেন সন্ধ্যা ঘনিয়েছে। দুরু দুরু ভয় আর শঙ্কা নিয়ে নয়ন জোর কদমে হাঁটতে থাকে। আর মনে মনে নিজেকে সাহস দেয় – ভূত-প্রেত বলতে দুনিয়ায় কিছু নাই। সব দুর্বল মনের কল্পনা। পুরো জঙ্গলে একটু পাতা পড়ার শব্দও নেই। বাতাস নেই, আলো নেই, সে এক গুমট অবস্থা। তার মাঝেই ডান দিকে অদূরে একটা বড় গাছের দিকে নয়নের দৃষ্টি চলে যায় – ও কী ! গাছের ডালে ওটা কী দুলছে? ওখানে শাদা শাড়ি এলো কোথা থেকে? ভয়ে নয়নের চোখ বড় বড় হয়ে যায়। সে থমকে দাঁড়ায়।

দেবদ্যুতি রায়ের গল্প

Image
করোনা ও পূর্ণার গল্প এক ছোট্ট শহরের ছোট্ট পাড়ায় থাকে পূর্ণা নামের আট বছরের এক ভীষণ মিষ্টি মেয়ে। সে রোদ আর বৃষ্টি ভালোবাসে, সবুজ গাছপালা দেখতে ভালোবাসে আর ভালোবাসে সারাদিন প্রজাপতির মতো ছোটাছুটি করে বেড়াতে। পূর্ণা এখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। মিতুল, পপি, রানা আর জুয়েল ওর খুব ভালো বন্ধু। আগে ওরা পাশাপাশি বসে ক্লাস করে আর ক্লাসের ফাঁকে অনেক গল্প করত। টিফিনের সময় ওরা একজন আরেকজনের সঙ্গে নিজেদের টিফিন ভাগাভাগি করে খেত। স্কুলের সবুজ মাঠে ওরা অন্যদের সঙ্গে বিভিন্ন খেলাধুলা করত। এখন কেন তারা এগুলো করতে পারে না সে কথা জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে প্রায় এক বছর আগের সময়ে।

নাহার তৃণা'র গল্প

Image
যদি এমন হতো পিঙ্কির মনটা বেজায় খারাপ। প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে আসার পর ওদের চুপচাপ বাড়িটা ওর হইহই’য়ে যেমনটা ভরে ওঠে; আজ সেরকমটা হয় নি। কারণ পিঙ্কির মনটা আজ সত্যিই খারাপ। স্কুল ফেরতা পিঙ্কিকে অনেকবার জিগগেস করেও মামণি উত্তর পান নি কেন ওর মন ভার।

তিতলির রঙতুলি

Image
  ইচ্ছে রঙে আঁকি ১.

ফাহরিয়াল রহমানের কলাম

Image
খালামনির নলেজ বক্স মেয়েদের পার্কে বেড়াতে নিয়ে এসেছেন ভদ্রলোক। মেরি গো রাউন্ডে উঠে মেয়েরা দারুণ আনন্দ পাচ্ছে। তাদের আবদার বাবাও যোগ দিক তাদের সাথে, কিন্তু ওটা ছিলো শুধু শিশুদের জন্য, বড়রা শুধু দর্শক। বাবাকে তাদের আনন্দে সামিল করতে না পারায় মনে কষ্ট পেলো শিশু দুটির সাথে বাবাও। কিন্তু কার্টুনিস্ট,উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা, এনিমেটর বাবা ঐ ঘটনার পরম্পরায় তার উদ্ভাবনী চিন্তার শক্তিতে উদ্ভাবন করে ফেললেন তাঁর স্বপ্নের একটা অন্য ভুবন। শিশুদের সাথে পুরো পরিবারের নির্মল আনন্দের ভাগীদার হওয়ার দারুণ একটা বিনোদন জগৎ --ডিজনিল্যান্ড। প্রাচুর্যময়, কল্পনা আর রূপকথার মিশেলে যাদুর জগতকে নিয়ে এলেন বিশ্বের সামনে। যেখানে ছোট বড় সবাই মিলে ভেসে বেড়াবে প্রিয় সব কার্টুন ক্যারেক্টারের সাথে কল্পনার জগতে মজাদার সব রাইডে।

Atnin Bin Zahir's Article

Image
  How Bangladesh Get Its Name? Have you ever wondered how Bangladesh got it’s name? Many of you may say that it’s the combination of two words " Bangla " the language and "Desh" which means country or land. The meaning of Bangladesh is the land or country of the Bengalis. 

সোফি পারোভি রেইনের ধারাবাহিক গল্প

Image
বন্দী সাতদিন দিন-২ সকালে বব-২ নাস্তা দিয়ে গেল তাদের। নাস্তা ছিল দুইটা করে রুটি, আলু ভাজি আর ডিম। খাবার গুলো ছিল স্বাদহীন, পানসে। ওরা খাবার অনেকক্ষণ নাড়াচাড়া করে রেখে দিলো , খেতে পারল না। ধূসর রঙের দেয়াল গুলোর মাঝে কাঠ রঙের দরজা যা বাইরে থেকে আটকানো ছিল। ছাদের নিচে ছোট্ট ঘুলঘুলি দিয়ে দিনের আলো প্রবেশ করছিল ঘরের ভেতর। এছাড়া আর কোনো আলো নাই ঘরে। কোথাও কোনো শব্দ নাই। চড়ুইয়ের কিচিরমিচির আর কাকের কা কা শোনা যাচ্ছিল শুধু। মিকাসারা অনুমান করতে পারছিল না তারা ঠিক কোথায় আছে।

ফাহ্‌রিয়াল রহমানের ছড়া

Image
ঘরবন্দী আর কিছুতেই মন বসে না ঘরে বসে খেলতে মায়ের সাথে কেক বানানো কিংবা রুটি বেলতে। পাহাড় -সাগর -সবুজ ভ্রমণ মায়ের ভালোবাসা মায়ের সাথে লেপ্টে থেকে আমার কাটতো খাসা। নতুন জায়গা নতুন সবই জানাও ছিল অল্প বাবা তখন বলতো আমায় কতশত গল্প। এখনতো ভাই অতীত সে-সব করোনায় ঘরবন্দী স্কুল অফ সবকিছু অফ আটকে রাখার ফন্দি।

মানহার রঙতুলি

Image
আয় তবে সহচরী  (আঁকিয়ে: ওয়ারিশা মানহা, তৃতীয় শ্রেণী, সানিডেল স্কুল)

ফিচার ভিডিও

Image
  অন্য প্রাণীদেরও পৃথিবীর ভাগ দাও পৃথিবীর রাজত্ব মানুষের হাতে থাকলেও এই গ্রহের সকল প্রাণী কিন্তু তা ভোগ করার অধিকার রাখে। আমরা সবাই সেটা মনে রাখি না। কিন্তু কেউ কেউ তার ব্যতিক্রম আছে। এখানে দেখো সেরকম একজন। তাঁর নিজের বাগানের ফল আর সবজি অন্য প্রাণীদের কিভাবে ভাগ দিচ্ছে। ডোডোর সৌজন্যে পৃথিবীর সব প্রাণীদের জন্য ভালোবাসা।

অন্বয়ের চারুকারু প্রদর্শনী

Image
নিজের হাতে তৈরী ১. রেফ্রিজারেটরের দরজায় লাগানোর চুম্বক শোপিস

ফারিস ও ফারজিনের আঁকাআঁকি

Image
ইচ্ছে রঙে আঁকি   (আঁকিয়ে: ফারিস হাসান, দ্বিতীয় শ্রেণী)

ইফরা রঙতুলি

Image
প্রকৃতি ও পরিবেশ ১.  

তুর্ণিকার রঙতুলি

Image
 ইচ্ছে রঙে আঁকি আঁকিয়ে :  তুর্ণিকা দেবরায়, সপ্তম শ্রেণি

আভেরির রঙতুলি

Image
আহা! টিউলিপ বাসায় বড়রা সবাই সিআরবি নিয়ে কথা বলছিল। তখনই মনে হলো গাছ আঁকব। এর আগেও একবার মনে হয়েছিল গাছ আঁকব কিন্তু কেন যেন হলো না। তারপর কিছু না ভেবেই জল রঙ নিয়ে বসে পড়লাম। জল রঙ দিয়ে আঁকতে ভাল লাগে, আবার ভয়ও। ভয় কারণ এদিক ওদিক হলে আর ঠিক করা যায় না। গাছ আঁকার পর মনে হলো একটা ফুল আকি। আঁকা শেষ হলে তাকিয়ে থাকলাম ফুলটার দিকে। নাম তো জানি না! পরে মনে হলো আরে এটা তো টিউলিপ!

এস এম তিতুমীরের ছড়া

Image
মহাশয় শাক দিয়ে মাছ ঢেকে খেতে পারে মহাশয় ডুবে থেকে চোর-হাটে ভোল ধরে সুবিনয় পরিপাটি পরিধানে মুখচোরা গিরগিটি মূল কেটে জল ঢালে হাসে মুখ মিটিমিটি বিনা মেঘে বান ডেকে দু'চোখের বরষায় ফুটো করে ভরা তরী নিজে তীর খুঁজে নেয় ডুবে গেলে জাতি-কূল শোক নেই কিছু তার সেলফিতে পোস্ট দেন কুমিরের কলিজার মুখখানা হাসি ভরা খুলে দাঁত চোপাটির ক্যামেরার চোখ ঢেকে চুষে খুন কো-পার্টির তবুও তো খালি থাকে হাড়গিলে জোঁক পেট সাধু সেজে করে যায় সমাজের মাথা হেট